অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

এলপি গ্যাস আমদানি ও উৎপাদনে ভ্যাট কমিয়ে প্রজ্ঞাপন

এলপি গ্যাস আমদানি ও উৎপাদনে ভ্যাট কমিয়ে প্রজ্ঞাপন
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ক্রমবর্ধমান সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, আমদানিকৃত এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (LOAB) এর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেছে। 

এর আগে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে সম্প্রতি একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এলপি গ্যাসের আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট ও ট্যাক্স কাঠামো পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব ওঠে।

গত ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এলপি গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল। একই সঙ্গে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির বিষয়টিও আলোচনায় আসে। তবে লোয়াব সদস্যরা আমদানি পর্যায়ে প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে শূন্য শতাংশ ভ্যাট আরোপের দাবি জানিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশের নিচে ভ্যাট আরোপ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার সঙ্গে একমত পোষণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কতটা কমবে, সে বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে সমন্বিতভাবে বিস্তারিত বিশ্লেষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন