প্রকাশিত: ২ মে, ২০২৬, ১১:৫৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক
গতকাল শুক্রবার (১ মে) ছিল রামকৃষ্ণ মিশন-এর ১৩০তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এ উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশনে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানসূচীতে ছিল ভোর ৪টায় মঙ্গলাবাতি, সকাল সাড়ে ৭ টায় শ্রীরামকৃষ্ণদেবের বিশেষ পূজা, ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, ভজন।
সকাল সাড়ে ১০টায় হোম, সকাল সোয়া ১১টায় ভাষন, ‘রামকৃষ্ণ মিশন: আদর্শ ও কাজ’ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ, অধ্যক্ষ ও সম্পাদক রামকৃষ্ঠ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা এবং বাংলাদেশে রামকৃষ্ণ সজ্ঞের দীক্ষাগুরু মহারাজ।
বেলা ১২টায় ভোগারতি, বেলা ১২টা ১০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি, ১২.২০ মিনিটে প্রসাদ বিতরণ, বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৬. ৫০ মিনিটে সন্ধ্যারাত্রিক।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্বামী অক্ষরানন্দ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ‘সেবাদর্শ’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
বিশেষ অতিথি ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ। সভাপতিত্ব করে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার।
আশীর্বচন করে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের ও রামকৃষ্ঠ মঠের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক রামকৃষ্ণ সজ্ঞের দীক্ষাগুরু মহারাজ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইশরাক হোসেন বলেন, রামকৃষ্ণ মিশনের সাথে স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিভিন্ন অনু্ষ্ঠানে অংশ নেয়ার মাধ্যমে সম্প্রতির মেলবন্ধন ঘটেছে।
তিনি বলেন, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার আগে মানুষ এরপর বাংগালী এটাই প্রথম ও প্রধান পরিচয়। বাংলাদেশে সকলে সমান মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তিনি আরো বলেন, যদি কোনভাবে হিন্দু ধর্মের বিশ্বাসের ওপর আঘাত আসে, তাহলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। এবং দেশের প্রচলিত আইনে অপরাধীদের বিচার করা হবে।
মন্তব্য করুন