প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

রেলের খাবার গাড়িগুলো ও অন বোর্ড সার্ভিস সিন্ডিকেটের দখলে

বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক
বাংলাদেশ রেলওয়ে খাবার গাড়ি গুলো ৩/৪ টা ক্যাটারিং সার্ভিস এর দূর্নীতিবাজ  সিন্ডিকেটের দখলে। রেল মন্ত্রণালয়ের অসাধু কর্মকর্তা সরদার সাহাদত আলি (সাবেক মহাপরিচালক) ও আনসার আলী DD (কমার্স) সহ কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় খাবার গাড়ি গুলো রেলের অন বোর্ড সার্ভিস (বে-সরকারি খাতের রেল) ভাগ বটোয়ারা করে রেখেছে সিন্ডিকেট। কোনো রকম দরপত্র আহ্বান ছাড়া মেসার্স হাবিব এন্ড সন্স, ও সুরুচি ফাস্টফুড  কোম্পানি দুটি রেলওয়ের  প্রভাবশালী অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় ব্যাবসা করে চলছে। সিন্ডিকেট এর মূল হোতা ফ্যাস্টিট আওয়ামী লীগ সরকারের উপদেষ্টা তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আতাউর রহমান ভূঁইয়া (মানিক)এর ডান হাত ক্ষ্যাত আব্দুর রাজ্জাক। আওয়ামী লীগ এর ১৭ বছর নিজের অফিসে শেখ মুজিবর রহমান ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার ছবি টানিয়ে আওয়ামী লীগ পরিচয় বহন করে কমলাপুর এ যুবলীগ এর সন্ত্রাসী খালিদ মাহামুদ ভূইয়ার সাথে একত্রে সন্ত্রাসী ও রেলওয়ের সকল ঠিকাদারি কাজে রাজত্ব চালিয়েছে আবদুর রাজ্জাক ভূইয়া। আব্দুর রাজ্জাক ভূইয়া ও মামুন ভূইয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের  অর্থের বিনিময়ে কোনো রকম দরপত্র আহ্বান ছাড়া একের পর এক কাজ হাতিয়ে নিয়েছে রেলের খাবার গাড়িগুলো সহ ওয়ান বোর্ড সার্ভস এগারো সিন্ধু রেলওয়ে এদের দখলে। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সিন্ডিকেট সক্রিয় ভাবে দখল দারিত্ব করে চলেছে। আবদুর রাজ্জাক ভূইয়া ও মামুন ভূইয়া সকল গাড়ি গুলো সিন্ডিকেট করে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। এখন নিজেকে বিএনপির লোক দাবি করে বহালতবিয়তে সিন্ডিকেট কার্জকলাপ চালাচ্ছেন। ঢাকা কক্সবাজার রুটের নতুন খাবার গাড়ি গুলো ও এরা নিজেদের করে নিয়েছেন টেন্ডার মূল্যায়ন ছাড়া। যার কারনে রেল পথে যাতায়াত করা যাত্রী সাধারণ ভালো মানের খাবার সেবা পান না। এ নিয়ে যাত্রীদের বিস্তর  অভিযোগ ও ক্ষোভ রয়েছে। রেলওয়ের সেবার মান উন্নত করতে সরকারের বৃহৎ পরিকল্লপনা ও সদিচ্ছার বাস্তবায়নে এই সিন্ডিকেট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কাছ থেকে জানা গেছে। এ বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আর্থিক সুবিধাদি দিয়ে সবকিছু আড়ালে রাখার চেষ্টা করা হয় বলে জানা যায়। এই সকল অসাধু দুষ্কৃতিকারী চক্রের হাত থেকে রেলকে মুক্ত করে  যাত্রী সেবার মান উন্নত করার দাবি জনসাধারণের।

মন্তব্য করুন