প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা রেশনিংয়ের সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বদলির আদেশ জারির পর ব্যাকডেটে ডিলার নিয়োগ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এই অনৈতিক কাজ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে ঢাকা রেশনিংয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক পদ থেকে বদলি করা হয়। বদলির আদেশ আসার পর নিয়মানুযায়ী তার আর নতুন নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার ছিল না। তবু অভিযোগ উঠেছে, নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার ঠিক আগে তিনি একটি সিন্ডিকেটের সহায়তায় বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে কয়েকজন ডিলারের ফাইল পূর্বের তারিখ বসিয়ে অনুমোদন করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা রেশনিংয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, বদলির আদেশের পর সাবেক এই প্রধান নিয়ন্ত্রক তড়িঘড়ি করে কিছু ফাইলে স্বাক্ষর করেন। মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ওএমএস ও সাধারণ ডিলার নিয়োগে জালিয়াতি করা হয়েছে। লটারি বা যাচাই-বাছাই ছাড়াই ব্যাকডেটে ফাইল তৈরি করে পছন্দের ব্যক্তিদের ডিলারশিপ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
এই অনিয়মে প্রকৃত ও যোগ্য ডিলার প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন এবং সরকারের ওএমএস কর্মসূচির স্বচ্ছতা হুমকিতে পড়েছে। এর আগেও জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ওএমএস ডিলার নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল।
ব্যাকডেট জালিয়াতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ ডিলার ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ডিলাররা অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উচ্চতর তদন্তের দাবি জানিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদেরকেও ফোনে পাওয়া যায়নি। সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন